প্রসঙ্গঃ মাহে রমজান। ----------------------------------- - এ এস সিসি টিভি নিউজ। (ASCC TV NEWS)

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Friday, 13 March 2026

প্রসঙ্গঃ মাহে রমজান। -----------------------------------

প্রসঙ্গঃ মাহে রমজান।
-----------------------------------
আগামী কয়েকদিন পর আমাদের মাঝে শুভাগমন হবে পবিত্র মাহে রমজানের,যে মাসে অবতীর্ণ হয় মহা গ্রন্হ আল- কুরআন।যে মাসে ফরয করা হয়েছে দিনের বেলায় রোজা,সুন্নাতে মুআক্কাদা হিসাবে আদায় করতে হয় রাতের বেলায় বিশ রাকাত নামাজে তারাবীহ। অতএব, আসুন এসব বিষয়ে কিছু জেনে নিই।
রোজাঃরোজার মানে সুবহে সাদিক হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজার নিয়্যতে সকল প্রকার পানাহার,স্ত্রী সহবাস ও যৌন আচরণ হতে বিরত থাকা,এই রোজা ইসলামের ৩য় ফরজ।যা অস্বীকার করলে কাফির হয়েযায়।
রোজার ফজীলতঃ রাসুল (সঃ) বলেছেন: যে ব্যাক্তি ঈমানের সহিত সওয়াবের নিয়্যতে রমজানের রোজা রাখবে তার অতীতের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।(বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।
রোজার নিয়্যতঃ নিয়্যত ছাড়া রোজা হয়না,তাই সুবহে সাদিকের আগেই নিয়্যত করা উত্তম তবে সূর্য ঢলার আগ পর্যন্ত করতে পারে এর পরে নয়। নিয়্যত এভাবে করতে পারে, আমি আগামী কাল রমজানের ফরজ রোজার নিয়্যত করছি।
ইফতারের দোয়াঃ আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিজকিকা আফত্বারতু।
যে সব কারণে রোজা ভঙ্গ হয়ঃ১,নাক বা কানে ঔষধ ইত্যাদি ঢুকানো।২,ইচ্ছাকৃত মূখ ভরিয়া বমি করা। ৩,কুলি করার সময় গলায় পানি ঢুকা। ৪,কাঠ,লোহা,কাঁচা গম ইত্যাদি গিলে ফেলা যা স্বভাবগত খাওয়া হয়না।৫,আগর বাতি,মশার কয়েল ইত্যাদির ধোঁয়া ইচ্ছাকৃত নাকে ঢুকানো।৬,ভূলে পানাহারের পর রোজা ভঙ্গ হয়েছে মনে করে ইচ্ছে পূর্বক পানাহার করা।৮,ইফতারের সময় হয়েছে মনে করে সূর্যাস্তের আগেই ইফতার করা।
এসব কারণে রোজা ভঙ্গ হলে শুধু ক্বাজা ওয়াজিব, কাফফারা নয়।
তারাবীহর নামাজঃ এমাসে এশার ফরজ এবং সুন্নাতের পর জামাতের সহিত বিশ রাকাত তারাবীহ পড়া সুন্নাতে মুয়াক্কাদায়ে কিফায়াহ।হাদীস শরীফে আছে: যে ব্যাক্তি রমজানের রাত্রে ঈমানের সহিত সওয়াবের নিয়্যতে তারাবীহর নামাজ আদায় করবে তার অতীতের সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।
রোজার ক্বাজাঃওজর বশতঃ রোজা ভাঙ্গলে এক রোজার পরিবর্তে একটি রোজা ক্বাজা দিতে হয়।
রোজার কাফফারাঃ বিনা ওজরে ইচ্ছাকৃত রোজা ভাঙ্গলে ক্বাজা ও কাফফারা উভয়টি ওয়াজিব,কাফফারা হলো এক রোজার পরিবর্তে একজন মুসলিম দাসকে আজাদ করা বা ধারাবাহিক ৬০ টি রোজা রাখা।মধ্যে বিরতি হলে নতুন ভাবে আবারো ৬০টি রোজা রাখা।রোজা রাখতে না পারলে ৬০জন প্রাপ্ত বয়স্ক মিসকীন কে দুবেলা পেট ভরে খানা খাওয়ানো।(চলবে)।

No comments:

Post Bottom Ad

Pages

এ এস সিসি টিভি নিউজ। (ASCC TV NEWS)