খ্যাতিমান লেখক-সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী মারা গেছেন - এ এস সিসি টিভি নিউজ। (ASCC TV NEWS)

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Friday, 13 March 2026

খ্যাতিমান লেখক-সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী মারা গেছেন


আবদুল গাফফার চৌধুরী

ছবির উৎস,আবদুল চৌধুরী গত বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন

বাংলাদেশের খ্যাতিমান সাংবাদিক-লেখক আবদুল গাফফার চৌধুরী বৃহস্পতিবার লন্ডনের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন এবং গত বেশ কিছুদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।
লন্ডনে বাংলাদেশ হাই কমিশনের প্রেস মিনিস্টার আশেকুন নবী চৌধুরী বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার ভোরে হাসপাতালে তিনি হার্ট অ্যাটাকে মারা যান। আবদুল গাফফার চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন পারিবারিক বন্ধু এবং লেখকও এই খবর নিশ্চিত করেছেন।
তিনি তিন মেয়ে এবং এক ছেলে রেখে গেছেন। মাস খানেক আগে তার আরেক মেয়ে দীর্ঘদিন ক্যান্সারে ভুগে মারা যান।
আবদুল গাফফার চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ পারিবারিক বন্ধু মাসুদুল ইসলাম রুহুল জানান, গত কিছুদিন ধরেই নানা ধরণের শারীরিক অসুস্থতার জন্য বার বার তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হচ্ছিল। ২০১১ সালে স্ত্রী বিয়োগের পর তিনি একাই থাকতেন। শেষের দিকে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের সেবা কর্মীরাই বাড়ি এসে তাঁর দেখা-শোনা করতেন।
উনিশশো চুয়াত্তর সালে তিনি অসুস্থ স্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নিয়ে আসেন। এরপর বাকী জীবন তিনি লন্ডনেই স্থায়ীভাবে বসবাস করেছেন।
আবদুল গাফফার চৌধুরীর সবচেয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনকে নিয়ে লেখা তাঁর 'আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির জন্য।
জীবনের একেবারে শেষের বছরগুলো পর্যন্ত তিনি সক্রিয়ভাবে লেখালেখি করেছেন। তিনি মূলত রাজনৈতিক কলাম লেখক হিসেবেই বেশি পরিচিত ছিলেন। কিন্তু জীবনের শুরুতে অনেক সৃজনশীল লেখালেখিও করেছেন। তার লেখা বইয়ের মধ্যে আছে ভয়ংকরের হাতছানি, সম্রাটের ছবি, ডানপিটে শওকত, চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান, পলাশী থেকে ধানমন্ডি, শেষ রজনীর চাঁদ এবং কৃষ্ণপক্ষ।
তিনি বাংলাদেশের বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, স্বাধীনতা পুরস্কারসহ অনেক পুরস্কার পেয়েছেন

No comments:

Post Bottom Ad

Pages